প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান চে তাই-উন মনে করেন, চলমান এ সংকট আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। খবর রয়টার্স।
তিনি জানান, এআইয়ের বিস্তারের কারণে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি চিপের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে হাই ব্যান্ডউইডথ মেমোরি চিপ তৈরিতে প্রচুর পরিমাণে ওয়েফার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ কাঁচামালের উৎপাদন বাড়াতে সময় লাগছে।
বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্টের তথ্যানুযায়ী, এনভিডিয়ার প্রধান চিপ সরবরাহকারী এসকে হাইনিক্স বর্তমানে হাই ব্যান্ডউইডথ মেমোরি বাজারে ৫৭ শতাংশ হিস্যা নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী ডি র্যাম বাজারেও ৩২ শতাংশ হিস্যা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দ্বিতীয় অবস্থানে আছে।
চে তাই-উন বলেন, ‘পর্যাপ্ত পরিমাণে ওয়েফার উৎপাদন বাড়াতে অন্তত চার-পাঁচ বছর সময় প্রয়োজন। বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি ঘাটতি তৈরি হতে পারে।’
যুক্তরাষ্ট্রে চিপ উৎপাদন কারখানা সম্প্রসারণের বিষয়ে চে তাই-উন বলেন, বিদেশে কারখানা স্থাপন করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ, পানি, উন্নত অবকাঠামো ও দক্ষ প্রকৌশলী প্রয়োজন। এ কারণে বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ায়ই উৎপাদন বাড়ানোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এসকে হাইনিক্স ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার বিষয়েও ভাবছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরো জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও জ্বালানির উচ্চমূল্য ব্যবসার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধান করছে এসকে গ্রুপ।